স্ত্রীকে শিক্ষা দিতে শ্বাশুড়িকে ধ’র্ষণ ভিডিও ভাইরাল

0

স্ত্রীকে শিক্ষা দিতে শ্বাশুড়িকে ধ’র্ষণ করে আইয়ুব আলী নামে এক ল’ম্পট মেয়ের জামাই। পরে ওই ভিডিও ছেড়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ ঘটনায় শ্বাশুড়ির অ’ভিযোগে রোববার তাকে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রে’প্তার

করে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ। পরে ওইদিন রাতেই ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। গ্রে’প্তারকৃত আইয়ুব আলীর বি’রুদ্ধে সোমবার কোতোয়ালী মডেল থানায় ধ’র্ষণ ও প’র্নোগ্রাফির দু’টি মামলা হয়েছে। সে মুক্তাগাছা উপজেলার চাপুরিয়া

গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে। থানা পুলিশ ও ধ’র্ষিতার পরিবার জানায়, উপজেলার চাপুরিয়া গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে মোটর চালক আইয়ুব আলীর সাথে দশ বছর আগে একই উপজেলার নরকোনা গ্রামের শাহজাহান মিয়ার মেয়ে শাহিদার বিয়ে হয়। এরই মধ্যে তাদের সংসারে আট বছরের একটি ছেলে

সন্তানও রয়েছে। বছর দেড়েক আগে আইয়ুব আলী তার স্ত্রীকে যৌ’তুকের জন্য চা’প দেয়। যৌ’তুক না দেয়ায় স্ত্রীসন্তানকে তার শ্বশুর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এরপর কোনো ধরণের যোগাযোগ রক্ষা না করায স্ত্রী শাহিদা আক্তার স্বামীর বি’রুদ্ধে ময়মনসিংহ আদালতে যৌ’তুক আইনে মামলা করেন। এ নিয়ে দু’টি পরিবারের মাঝে কয়েক বছর ধরেই চলছিল টানাপোড়ন।

গত রমজান মাসে মেয়ের জামাতা আইয়ুব আলী তার ছেলের জন্য নতুন জামাকাপড় ও কিছু নগদ টাকা দিবে বলে শ্বাশুড়িকে ডেকে আনে মুক্তাগাছা শহরে। শ্বাশুরী তার কথা বিশ্বাস করে মুক্তাগাছা শহরে আসে। এরপর ভালো জামা কিনে দেবার কথা বলে শ্বাশুড়িকে নিয়ে যায় ময়মনসিংহ শহরের একটি আবাসিক হোটেলে। পরে সেখানে আটকে রেখে আইয়ুব আলী তার শ্বাশুড়িকে ধ’র্ষণ করে। এ সময় ওই চিত্র সে আবার গো’পনে ভিডিও ধারণ করেও রাখে। মানসম্মানের ভ’য়ে শ্বাশুড়ি ঘটনাটি সে ওই সময় কাউকে জানায়নি।

এরপর আরও কয়েকদিন ল’ম্পট আইয়ুব আলী তার শ্বাশুরীকে ফোন করে ময়মনসিংহ যেতে বলে। তাতে সাড়া না দেয়ায় শ্বশুড় বাড়ির এক যুবকের ইমু নম্বরে মোবাইলে ধারণ করা ধ’র্ষণের ওই ভিডিওটি ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় আইয়ুব আলীর শ্বশুড় শাহজাহান মিয়া তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। পরবর্তীতে ধ’র্ষিতা বাদী হয়ে এ ঘটনায় মুক্তাগাছা থানায় একটি অ’ভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, আটককৃত মেয়ের জামাই আইয়ুব আলীর বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণ ও প’র্ণোগ্রাফির দু’টি মামলা হয়েছে। সে তার স্ত্রী ও শ্বশুড় বাড়ির লোকজনকে শিক্ষা দিতেই এ কাজটি করেছে।